• মঙ্গলবার, ৩ মার্চ ২০২৬, ১৮ ফাল্গুন ১৪৩২
  • ঢাকা, বাংলাদেশ

দুর্নীতি, নাকি নীতি– আসল সমস্যাটা কোথায়?

দুর্নীতি, নাকি নীতি– আসল সমস্যাটা কোথায়?

  আন্দোলন প্রতিবেদন  

বুধবার, ১১ ডিসেম্বর ২০২৪  |  অনলাইন সংস্করণ

অন্তর্বর্তী সরকার ক্ষমতায় এসে বিভিন্ন সংস্কারের সাথে একটি দুর্নীতি বিরোধী সংস্কার কমিশনও গঠন করেছে। এই দেশে দুর্নীতি বিরোধী অভিযান বহু হয়েছে। আয়ুব থেকে হাসিনা পর্যন্ত সবাই করেছে। কিন্তু কমেনি, বরং বেড়েছে। সেটা হাসিনা সরকারের দুর্নীতির কিচ্ছাগুলো প্রকাশের পর কেউ আর তাকে অস্বীকার করবে না।

বর্তমানে ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থানের পর গঠিত ‘অন্তবর্তী সরকার’ও দুর্নীতি নিয়ে বহু কথা বলছে। এবার তারা সংস্কার করে দেশ থেকে দুর্নীতি মুক্ত করবে। বর্তমানে আওয়ামী লীগের নেতা-পাতি নেতাদের সাথে ব্যবসায়ী, পুলিশ-প্রশাসনের উচ্চপদস্থ আমলা এমনকি অবসরপ্রাপ্ত সেনা প্রধান, পুলিশ প্রধানদের দুর্নীতির রমরমা কাহিনী হরদম প্রকাশ পাচ্ছে। মনে হচ্ছে অন্তর্বর্তী সরকার দুর্নীতিমুক্ত একটা বাংলাদেশ জনগণকে উপহার দেবে। মনে হচ্ছে কিছু আইন করলেই দুর্নীতি ঠেকানো যাবে।

 পাকিস্তান আমলে সামরিক স্বৈরাচারী আয়ুব খান দুর্নীতির বিরুদ্ধে এক মহা-অভিযান শুরু করেছিল। বহু সিএসপি ও উচ্চপদস্থ আমলাসহ অনেককে পদচ্যুত করা হয়েছিল। পদচ্যুতরা দুর্নীতিগ্রস্থ ছিল তাতে কোনো সন্দেহ ছিল না। কিন্তু সেই অভিযান-যে আইয়ুবী অবৈধ ক্ষমতাকে সুসংহত করারই একটা অপচেষ্টা ছিল তা প্রমাণিত হতে সময় লাগেনি। দুর্নীতি যা ছিল রয়েই গেল। এরপর বাংলাদেশ হলো, আর দুর্নীতিতে দেশ ছেয়ে গেল। শেখ মুজিব নিজে বললেন, তার চারপাশে সব চোর, ৭ লক্ষ কম্বলের মাঝে আমারটা কোথায়? অর্থ হলো, ব্যবস্থা ও পার্টিটাই ছিল চোর। সেই চোরা-ট্র্যাডিশন বাংলাদেশে চলতেই থাকলো। কিন্তু ক্ষণে ক্ষণে তাদের ‘দুর্নীতি বিরোধী’ জেহাদের হুংকারও চলতে থাকলো। জিয়াকে হত্যার পর সামরিক স্বৈরাচারী এরশাদ তাৎক্ষণিক ক্ষমতা দখলে না গিয়ে সাত্তার সরকারের উপর চাপ দিল দুর্নীতির অজুহাতে। সাত্তার বাধ্য হয়ে নিজ দলের মাঝেই অভিযান শুরু করলো। তাতে বিএনপির সুনাম না বেড়ে এরশাদের ক্ষমতা দখলের পথ নিষ্কন্টক হলো। সাত্তারের এক মন্ত্রীর বাসায় খুনের আসামীকেও পাওয়া গেল। বিএনপি ক্ষমতা ছাড়তে বাধ্য হলো। এই দুর্নীতির অভিযান-যে এরশাদের ক্ষমতা দখলের প্রস্তুতি ছিল সেটাও আর গোপন থাকেনি। ’৯০-এ এরশাদের পতন হলো। কিন্তু তাকে স্বৈরাচারী রাষ্ট্রক্ষমতার দায়ে অভিযুক্ত না করে দুর্নীতির লঘু অভিযোগে লঘু সাজা খাটতে হলো। এবং সর্বব্যাপী দুর্নীতির হাত বদল হলো। বিএনপি ও আওয়ামী লীগ পালাক্রমে সেটা চালিয়ে গেল ২০ বছর। এর পরের ইতিহাস আরো ভয়ংকর। ২০০৭-এ সেনা শিখন্ডী ফখরুদ্দীন-মঈনুদ্দিন সরকার এসেও দুর্নীতি বিরোধী অভিযানে নেমেছিল এবং বিরাজনীতিকরণের চেষ্টা করেছিল। হাসিনা সরকার দুর্নীতির অভিযোগে অভিযুক্ত করে খালেদা জিয়াকে জেলে দিয়েছে, তার পরিবার দেশ ছাড়া করেছে। এমনকি তার নিজের প্রিয় পুলিশ-প্রধানকে দুর্নীতির দায় মাথায় নিয়েই দেশ ছাড়তে হয়েছে। কিন্তু খোদ হাসিনার কাছের লোকেরা যে কত দুর্নীতি করেছে সেটা এখন প্রচার হচ্ছে, যদিও আসল পরিস্থিতির খুব অল্পই।

তাই দেখা যাচ্ছে, দুর্নীতি ছিল, আছে, থাকবে। বাংলাদেশে সেটা কল্পণাতীতভাবে রাজত্ব করছে, করবেও। কারণ? কারণ হলো, ব্যবস্থাটার মূলে রয়েছে পুঁজিবাদ, তবে আমলা-মুৎসুদ্দি পুঁজিবাদ। তাই, পশ্চিমা ধাঁচের গণতান্ত্রিক প্রতিযোগিতা এখানকার অর্থনীতি ও রাজনীতিতে কাজ করে না। বৈদেশিক শক্তির মন যুগিয়ে রাষ্ট্র-ক্ষমতাকে ব্যবহার করে লুটপাট করা এর মৌলিক বৈশিষ্ট্য। সে কারণেই, বুর্জোয়া দলগুলোর কেউ ক্ষমতা ছাড়তে চায় না। রাষ্ট্রক্ষমতা হলো টাকা বানানোর মেশিন।

হাসিনামলের সাম্প্রতিক দুর্নীতির কাহিনিগুলো নতুন কিছু কি? আওয়ামী ঘরাণার অর্থনীতিবিদরাই বলেছে যে, বছরে ২ লক্ষ কোটি টাকা পাচার হয়েছে। ব্যাংকগুলো ফাঁকা, শেয়ার মার্কেট প্রতারক, প্রতিটি মার্কেট, কারখানা, ফুটপাত, টেন্ডার, জমি কেনা-বেচা, বিল্ডিং তোলায় ছাত্র-যুবলীগ নেতাদের কোটি কোটি টাকার চাঁদাবাজি তো নতুন খবর নয়। তাদের পেছনকার আরো বড় শক্তির মদদ ব্যতীত এগুলো ঘটতে পারে নি। পরিবহন সেক্টরে শত শত হাজার হাজার কোটি টাকার চাঁদাবাজি কি শ্রমিক মাস্তানদের পক্ষে করা সম্ভব, পেছনের অপ্রতিরোধ্য শক্তি না থাকলে? সেই শক্তি হলো পুলিশ বাহিনী, আমলা, ব্যবসায়ী, সর্বোপরি বুর্জোয়া রাজনৈতিক শক্তি। সেগুলো বিদ্যমান সমাজ-ব্যবস্থার এক অবিচ্ছেদ্য অঙ্গ। সে কারণেই, অভ্যুত্থান সত্ত্বেও, হাসিনার পতনের পরও যখন এই ব্যবস্থাটিই রয়ে গেছে, তখন  চাঁদাবাজির হাতবদল হয়েছে, সেগুলো বন্ধ হয় নি। ঘুস-দুর্নীতিও বন্ধ হয়নি। বিদ্যমান সমাজ-ব্যবস্থার অন্যতম নীতিই হলো নিয়ম-বহির্ভুত ভাবে অর্থ আয়। এদেশের শাসকশ্রেণির জন্ম থেকে এ পর্যন্তকার গড়ে ওঠা এই পথেই হয়েছে। তাই, সমাজ-ব্যবস্থা না বদলিয়ে শুধু একটি সরকার, একটি পার্টি, একটি ব্যক্তি বদল করলে দুর্নীতি কোনোক্রমেই উচ্ছেদ হবে না।

অভ্যুত্থানের মেজাজের রেশ এখনো রয়ে যাওয়াতে দুর্নীতি কিছু কিছু ক্ষেত্রে কিছু হয়তো দমিত রয়েছে, পুলিশ কাজ করছে না, বুর্জোয়া পার্টিগুলো সেভাবে ক্ষমতায় নেই, আমলারা কিছু চাপে রয়েছে। কিন্তু এগুলো কেটে গিয়ে দুর্নীতির নতুন পর্ব শুরু হতে বেশি সময় লাগবে না। আগের এক অর্থমন্ত্রী বলেছিল ঘুস হলো ‘স্পিডমানি’। সে কথা-তো ভুল নয়।

তাই সমাজকে, রাষ্ট্রকে দুর্নীতি মুক্ত করতে হলে সাম্রাজ্যবাদী-পুঁজিবাদী ব্যবস্থাটার চলমান নীতিটাকেই আগে বদলাতে হবে। আর সেটা করার জন্য এ ব্যবস্থাটাকেই আগে উচ্ছেদ করতে হবে। শুধু হাসিনার উচ্ছেদে এর সমাধান হবে না।

দুর্নীতি, নাকি নীতি– আসল সমস্যাটা কোথায়?

 আন্দোলন প্রতিবেদন 
বুধবার, ১১ ডিসেম্বর ২০২৪  |  অনলাইন সংস্করণ

অন্তর্বর্তী সরকার ক্ষমতায় এসে বিভিন্ন সংস্কারের সাথে একটি দুর্নীতি বিরোধী সংস্কার কমিশনও গঠন করেছে। এই দেশে দুর্নীতি বিরোধী অভিযান বহু হয়েছে। আয়ুব থেকে হাসিনা পর্যন্ত সবাই করেছে। কিন্তু কমেনি, বরং বেড়েছে। সেটা হাসিনা সরকারের দুর্নীতির কিচ্ছাগুলো প্রকাশের পর কেউ আর তাকে অস্বীকার করবে না।

বর্তমানে ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থানের পর গঠিত ‘অন্তবর্তী সরকার’ও দুর্নীতি নিয়ে বহু কথা বলছে। এবার তারা সংস্কার করে দেশ থেকে দুর্নীতি মুক্ত করবে। বর্তমানে আওয়ামী লীগের নেতা-পাতি নেতাদের সাথে ব্যবসায়ী, পুলিশ-প্রশাসনের উচ্চপদস্থ আমলা এমনকি অবসরপ্রাপ্ত সেনা প্রধান, পুলিশ প্রধানদের দুর্নীতির রমরমা কাহিনী হরদম প্রকাশ পাচ্ছে। মনে হচ্ছে অন্তর্বর্তী সরকার দুর্নীতিমুক্ত একটা বাংলাদেশ জনগণকে উপহার দেবে। মনে হচ্ছে কিছু আইন করলেই দুর্নীতি ঠেকানো যাবে।

 পাকিস্তান আমলে সামরিক স্বৈরাচারী আয়ুব খান দুর্নীতির বিরুদ্ধে এক মহা-অভিযান শুরু করেছিল। বহু সিএসপি ও উচ্চপদস্থ আমলাসহ অনেককে পদচ্যুত করা হয়েছিল। পদচ্যুতরা দুর্নীতিগ্রস্থ ছিল তাতে কোনো সন্দেহ ছিল না। কিন্তু সেই অভিযান-যে আইয়ুবী অবৈধ ক্ষমতাকে সুসংহত করারই একটা অপচেষ্টা ছিল তা প্রমাণিত হতে সময় লাগেনি। দুর্নীতি যা ছিল রয়েই গেল। এরপর বাংলাদেশ হলো, আর দুর্নীতিতে দেশ ছেয়ে গেল। শেখ মুজিব নিজে বললেন, তার চারপাশে সব চোর, ৭ লক্ষ কম্বলের মাঝে আমারটা কোথায়? অর্থ হলো, ব্যবস্থা ও পার্টিটাই ছিল চোর। সেই চোরা-ট্র্যাডিশন বাংলাদেশে চলতেই থাকলো। কিন্তু ক্ষণে ক্ষণে তাদের ‘দুর্নীতি বিরোধী’ জেহাদের হুংকারও চলতে থাকলো। জিয়াকে হত্যার পর সামরিক স্বৈরাচারী এরশাদ তাৎক্ষণিক ক্ষমতা দখলে না গিয়ে সাত্তার সরকারের উপর চাপ দিল দুর্নীতির অজুহাতে। সাত্তার বাধ্য হয়ে নিজ দলের মাঝেই অভিযান শুরু করলো। তাতে বিএনপির সুনাম না বেড়ে এরশাদের ক্ষমতা দখলের পথ নিষ্কন্টক হলো। সাত্তারের এক মন্ত্রীর বাসায় খুনের আসামীকেও পাওয়া গেল। বিএনপি ক্ষমতা ছাড়তে বাধ্য হলো। এই দুর্নীতির অভিযান-যে এরশাদের ক্ষমতা দখলের প্রস্তুতি ছিল সেটাও আর গোপন থাকেনি। ’৯০-এ এরশাদের পতন হলো। কিন্তু তাকে স্বৈরাচারী রাষ্ট্রক্ষমতার দায়ে অভিযুক্ত না করে দুর্নীতির লঘু অভিযোগে লঘু সাজা খাটতে হলো। এবং সর্বব্যাপী দুর্নীতির হাত বদল হলো। বিএনপি ও আওয়ামী লীগ পালাক্রমে সেটা চালিয়ে গেল ২০ বছর। এর পরের ইতিহাস আরো ভয়ংকর। ২০০৭-এ সেনা শিখন্ডী ফখরুদ্দীন-মঈনুদ্দিন সরকার এসেও দুর্নীতি বিরোধী অভিযানে নেমেছিল এবং বিরাজনীতিকরণের চেষ্টা করেছিল। হাসিনা সরকার দুর্নীতির অভিযোগে অভিযুক্ত করে খালেদা জিয়াকে জেলে দিয়েছে, তার পরিবার দেশ ছাড়া করেছে। এমনকি তার নিজের প্রিয় পুলিশ-প্রধানকে দুর্নীতির দায় মাথায় নিয়েই দেশ ছাড়তে হয়েছে। কিন্তু খোদ হাসিনার কাছের লোকেরা যে কত দুর্নীতি করেছে সেটা এখন প্রচার হচ্ছে, যদিও আসল পরিস্থিতির খুব অল্পই।

তাই দেখা যাচ্ছে, দুর্নীতি ছিল, আছে, থাকবে। বাংলাদেশে সেটা কল্পণাতীতভাবে রাজত্ব করছে, করবেও। কারণ? কারণ হলো, ব্যবস্থাটার মূলে রয়েছে পুঁজিবাদ, তবে আমলা-মুৎসুদ্দি পুঁজিবাদ। তাই, পশ্চিমা ধাঁচের গণতান্ত্রিক প্রতিযোগিতা এখানকার অর্থনীতি ও রাজনীতিতে কাজ করে না। বৈদেশিক শক্তির মন যুগিয়ে রাষ্ট্র-ক্ষমতাকে ব্যবহার করে লুটপাট করা এর মৌলিক বৈশিষ্ট্য। সে কারণেই, বুর্জোয়া দলগুলোর কেউ ক্ষমতা ছাড়তে চায় না। রাষ্ট্রক্ষমতা হলো টাকা বানানোর মেশিন।

হাসিনামলের সাম্প্রতিক দুর্নীতির কাহিনিগুলো নতুন কিছু কি? আওয়ামী ঘরাণার অর্থনীতিবিদরাই বলেছে যে, বছরে ২ লক্ষ কোটি টাকা পাচার হয়েছে। ব্যাংকগুলো ফাঁকা, শেয়ার মার্কেট প্রতারক, প্রতিটি মার্কেট, কারখানা, ফুটপাত, টেন্ডার, জমি কেনা-বেচা, বিল্ডিং তোলায় ছাত্র-যুবলীগ নেতাদের কোটি কোটি টাকার চাঁদাবাজি তো নতুন খবর নয়। তাদের পেছনকার আরো বড় শক্তির মদদ ব্যতীত এগুলো ঘটতে পারে নি। পরিবহন সেক্টরে শত শত হাজার হাজার কোটি টাকার চাঁদাবাজি কি শ্রমিক মাস্তানদের পক্ষে করা সম্ভব, পেছনের অপ্রতিরোধ্য শক্তি না থাকলে? সেই শক্তি হলো পুলিশ বাহিনী, আমলা, ব্যবসায়ী, সর্বোপরি বুর্জোয়া রাজনৈতিক শক্তি। সেগুলো বিদ্যমান সমাজ-ব্যবস্থার এক অবিচ্ছেদ্য অঙ্গ। সে কারণেই, অভ্যুত্থান সত্ত্বেও, হাসিনার পতনের পরও যখন এই ব্যবস্থাটিই রয়ে গেছে, তখন  চাঁদাবাজির হাতবদল হয়েছে, সেগুলো বন্ধ হয় নি। ঘুস-দুর্নীতিও বন্ধ হয়নি। বিদ্যমান সমাজ-ব্যবস্থার অন্যতম নীতিই হলো নিয়ম-বহির্ভুত ভাবে অর্থ আয়। এদেশের শাসকশ্রেণির জন্ম থেকে এ পর্যন্তকার গড়ে ওঠা এই পথেই হয়েছে। তাই, সমাজ-ব্যবস্থা না বদলিয়ে শুধু একটি সরকার, একটি পার্টি, একটি ব্যক্তি বদল করলে দুর্নীতি কোনোক্রমেই উচ্ছেদ হবে না।

অভ্যুত্থানের মেজাজের রেশ এখনো রয়ে যাওয়াতে দুর্নীতি কিছু কিছু ক্ষেত্রে কিছু হয়তো দমিত রয়েছে, পুলিশ কাজ করছে না, বুর্জোয়া পার্টিগুলো সেভাবে ক্ষমতায় নেই, আমলারা কিছু চাপে রয়েছে। কিন্তু এগুলো কেটে গিয়ে দুর্নীতির নতুন পর্ব শুরু হতে বেশি সময় লাগবে না। আগের এক অর্থমন্ত্রী বলেছিল ঘুস হলো ‘স্পিডমানি’। সে কথা-তো ভুল নয়।

তাই সমাজকে, রাষ্ট্রকে দুর্নীতি মুক্ত করতে হলে সাম্রাজ্যবাদী-পুঁজিবাদী ব্যবস্থাটার চলমান নীতিটাকেই আগে বদলাতে হবে। আর সেটা করার জন্য এ ব্যবস্থাটাকেই আগে উচ্ছেদ করতে হবে। শুধু হাসিনার উচ্ছেদে এর সমাধান হবে না।

আরও খবর
 
শনি
রোব
সোম
মঙ্গল
বুধ
বৃহ
শুক্র